ডলার সংকটের কারণে চাহিদামতো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছেন না অনেক ব্যবসায়ী। এলসি নিষ্পত্তি করতে গিয়েও নানা সমস্যায় পড়ছেন তারা। এর প্রভাবে আমদানি কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ১ হাজার ৬৫০ কোটি ডলারের
ডলার সংকটের পরিস্থিতিতে সরকার আমদানি নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। তাতে বিলাস পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি কিছুটা কমেছে বটে। তবে ডলার সংকট কমেনি, বরং বেড়েছে। এ কারণে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমতে শুরু করেছে। ফলে শিল্প
দেশের ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারপরও নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে অর্থনীতিতে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর তিন মাসে গতবছরের একই সময়ের তুলনায় বিনিয়োগ ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। গত তিন মাসে
ডলার কেনার দর বাড়াল ব্যাংক। আজ রবিবার থেকে ব্যাংকগুলো প্রতি ডলারে ১১০ টাকার সঙ্গে আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিতে পারবে। তবে ডলার বিক্রির দর ১১০ টাকা ৫০ পয়সা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় গত
ভবিষ্যতের জন্য ডলার বুকিং দেওয়ার নতুন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ডলারের ভবিষ্যৎ দাম (ফরোয়ার্ড রেট) সর্বোচ্চ কত হবে তা-ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এক বছর পর ডলারের দাম বর্তমানের চেয়ে ‘এসএমএআরটি’ বা স্মার্ট হারের
দেশে রপ্তানির বিপরীতে ১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের আয় ফেরত আসেনি। আটকে থাকা রপ্তানি আয়ের মধ্যে অর্ধেকই মেয়াদোত্তীর্ণ। এছাড়া রপ্তানির আদেশের বিপরীতে কম পণ্য সরবরাহ করা, রপ্তানিকারক-আমদানিকারক দেউলিয়া হওয়া এবং ভুয়া রপ্তানির কারণে আটকে আছে
শুল্ক-কর আদায়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তেজ কমে গেছে। এখন আর আগের মতো শুল্ক-কর আদায় করতে পারছে না তারা। এর অন্যতম কারণ হলো, ডলার–সংকটের কারণে আমদানিতে রাস টানা। ফলে মূলধনি যন্ত্রপাতি, মধ্যবর্তী পণ্য ও ভোগ্যপণ্যের আমদানি








